Monday, August 24, 2020

থাই_লংগান! (১২ মাসি ও মৌসুমি)

থাই_লংগান! (১২ মাসি ও মৌসুমি)


Thai_Longan_Fruit!

মাতৃ_কলম_চারা!

লিচু পরিবারের একটি ফল লংগান! ভেতরে সাদা শাঁস ও বাহিরে আকর্ষণীয় বাদামী খোসা যুক্ত লংগান লিচুর চেয়েও অনেক মিষ্টি ও রাসালো!

স্বাদ ও স্বাস্থ্য উপকারিতার জন্য সারাবিশ্বে ছোট বড় সবার কাছে প্রিয় এই ফল! 


গ্রীষ্ম মন্ডলীয় অঞ্চলে এ ফলের প্রচুর উৎপাদন হয় তাই বাংলাদেশেও এখন প্রচুর চাষ হচ্ছে! শুধু বাড়ির উঠোন বা জমিতেই নয় "লংগান'র" মাতৃ কলম চারা ছাদে ড্রামে রোপণ করেও পর্যাপ্ত ফল উৎপাদন করা যায়!


লংগান ফলের রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ কিছু স্বাস্থ্য উপকারীতা-

✔লংগান ফল অবসাদ দূর করে!

✔হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় খুবই উপকারী ফল!

✔স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়!

✔পেটের অসুখ দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে!

✔লংগান ফলে থাকা লৌহ দেহের ক্ষয় রোধে সহায়তা করে!

✔দেহের মাংস পেশির ক্ষয় রোধ করে!

✔ওজন কমানোর জন্য লংগানের গুরুত্ব অপরিসীম! 

দাম দেশিঃ৫০০৳

বিদেশি টাঃ১২০০৳

বিস্তারিতঃ ০১৭৩৫৪৭৭৫০৭  অথবা ভিজিট করুন www.facebook.com/torulotaagro    

Saturday, August 22, 2020

ব্যানানা আম যা দেখতে লম্বাটে কলার মত

 


রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে থাইল্যান্ড থেকে আসা ‘ব্যানানা আম” নামের নতুন জাতের আম । এই আমটি স্বাদ, গন্ধ এবং সময় বিবেচনায় খুব আশাব্যঞ্জক। এছাড়া এটি নাবি জাতের এবং বিদেশে রপ্তানি-যোগ্য হওয়ায় এর  বাণিজ্যিক সম্ভাবনা রয়েছে প্রচুর।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক ড. সাইফুর রহমান জানান, এবার আমের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জে শত শত জাতের আমের মাঝে এখন এটি একটি জনপ্রিয় জাত। নাবি জাতের এই আমের  আকার কলার মতো লম্বা হওয়ার জন্য মুলত একে ‘ব্যানানা’ আম বলা হয়। এটি  দেখতে আর্কষনীয়, স্বাদে ও গন্ধে অনন্য।  এটি পাকলে কমলা হলুদ হয় এবং রোদ্রের আলোতে এর রং সিদুরের রং ধারন করে। পাকা অবস্থায় এই আমের ওজন সাড়ে ৩শ থেকে ৪শ গ্রাম। এছাড়া এই জাতের  চাষ পদ্ধতি সহজ । একে যে কোন স্থানে যেমন ছাদে পতিত জায়গায়, বাড়ির আশেপাশে চাষ করা যায়। তিনি আরো বলেন, এই জেলাতে এখন প্রায় ৩০০০ চারা মাঠে রোপণ করা হয়েছে এবং সামনে আরোও চারা বিক্রয় করা হবে।

এদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ হর্টিকালচার সেন্টারের আরেক কর্মকর্তা শাহীন সালাউদ্দিন  জানান, বাজারে প্রচুর চাহিদা থাকায় দিন দিন বিক্রয় বাড়ছে এই জাতের চারার সংখ্যা। সাধারণত জুন মাসের পর থেকে দেশের বাজারে ভালো জাতের আমের প্রাপ্যতা যখন কম থাকে তখন এই জাতের আম পাকে। আর এই আম জুলাই মাস থেকে আগস্ট মাসের প্রথম দিক পর্যন্ত পাড়া যায়।  তিনি আরো বলেন, বিদেশে রপ্তানিযোগ্য নাবি জাতের এই আমের চাহিদা ও বাজার মূল্য পাবার আশায় বাণিজ্যিকভাবে এই আমের চাষ নিয়েও এই সেন্টারটি খুব আশাবাদী।



আজই অর্ডার করতে যোগাযোগ করুন ০১৭৩৫-৪৭৭৫০৭  অথবা আমাদের ফেসবুক পেজ এ।    

Thursday, August 20, 2020

শেরপুর জেলার ব্র‍্যান্ডিং পণ্য 'তুলশীমালা চাল'।

 

তুলসীমালা চাল

🌾🌾শেরপুর জেলার ব্র‍্যান্ডিং পণ্য 'তুলশীমালা চাল'।এই চাল কেবল শেরপুর জেলায় উৎপাদিত হয়।এই চাল সুগন্ধি, ছোট, চিকন এবং গ্যাস্টিক জনিত কোন সমস্যা হয় না,তাই স্বাস্থ্যসম্মত।যে কোন বয়সের মানুষের খাওয়ার উপযোগী। এই সুগন্ধি চালের তৈরি পোলাও, বিরিয়ানি, পিঠা,পায়েস,খিচুড়ি ফ্রাইড রাইস এবং ভাত স্বাদে অনন্য। তাই ২০১৭ সালে এই চালকে শেরপুর জেলার ব্র‍্যান্ডিং পণ্যের মর্যাদা দেওয়া হয়।আদি কালে অভিজাত কৃষকরা এই চাল উৎপাদন করত,তুলসীমালা চাল এই অঞ্চলের জমিদারদের  ছিল ভোজন রসনার নিত্য দিনের সঙ্গী।তারা অতিথি আপ্যায়নে এই চাল ব্যবহার করত এবং ইংরেজদেরও উপহার হিসেবে দিত এই তুলসীমালা চাল। এই অঞ্চলের মানুষ এখনও এই চালকে উপহার হিসেবে দেয় আত্বীয় স্বজনদের। এই চালের এত গুণ যে রান্নার পর এর সুগন্ধ আরো বেড়ে যায়, আশেপাশের চারিদিকে এই চালের সুগন্ধে ভরে যায়।কারণ এই চাল একেবারেই আমাদের দেশীয় পণ্য, অকৃত্রিম।বর্তমানে এই চলের কদর দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও বাড়ছে।🌾🌾

👉সর্বনিম্ন ৫ কেজির অর্ডার নেওয়া হয়। 
👉দেশের যেকোনো জায়গায় সরবারাহ করা হয়
যোগাযোগঃ০১৩০৫-৭০০১৯০ 

fbpage: https://www.facebook.com/oitijjetulshimala/

বারি আম-১১ বারোমাসি আম

 

Bari-11


বারি আম-১১ বারোমাসি আম

আম কম বেশি সবারই পছন্দের একটি ফল। কিন্ত পছন্দের এই ফলটি যখন আমাদের দেশে সারা বছরই পাওয়া যাবে তখন কতই না ভালো হবে আম প্রেমিক মানুষের জন্য। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) এমনি একটি আমের জাত উদ্ভাবন করেছে যা সারা বছর ফল দিবে। আমের এই জাতটি হলো বারি আম ১১।
বারি আম ১১ এর বিশিষ্ট্যঃ

বারি আম ১১ বারোমাসি জাতের আম অর্থাৎ সারা বছরই ফল দিয়ে থাকে।

বছরে তিনবার ফল প্রদান করে থাকে। নভেম্বর, ফেব্রুয়ারি ও মে মাসে গাছে মুকুল আসে এবং মার্চ-এপ্রিল, মে-জুন এবং জুলাই-আগস্ট মাসে ফল আহরণের উপযোগী হয়।

ফল লম্বাটে ( লম্বায় ১১.৩ সেমি ) এবং প্রতিটি আমের গড় ওজন ৩০০-৩৫০ গ্রাম।

কাঁচা আমের ত্বক হালকা সবুজ। আর পাকলে ত্বক হয় হলুদাভ সুবজ।

আম গাছটির উচ্চতা ৬-৭ ফুট। গাছটির কোনো অংশে মুকুল, কিছু অংশে আমের গুটি, কিছু অংশে কাঁচা আম, আবার কোথাও পাকা আম। একটি গাছেই ফুটে উঠেছে আমের ‘জীবনচক্র’।

এটি খেতে সুস্বাদু, তবে একটু আঁশ আছে। ফলের শাঁস গাঢ় হলুদ বর্ণের।

এই জাতের ৪-৫ বছর বয়সী গাছ থেকে প্রতিবার ৬০-৭০টি আম আহরণ করা যায়। এছাড়াও এই জাতের একটি গাছে বছরে প্রায় ৫০ কেজি পর্যন্ত আম হয়ে থাকে।

বারি আম ১১ এর এক বছর বয়সী গাছে আমের মুকুল আসে।

আম গাছের একটি থোকার মধ্যে ৫-৬ টি আম থাকে।

আমের উচ্চফলনশীল এই জাতটি বাংলাদেশের সব এলাকায় চাষ উপযোগী।

আমের এই জাতটি সম্পূর্ণ দেশীয় আম হাইব্রিড নয়। এটি প্রাকৃতিকভাবে সংকরায়ণের ফলে সৃষ্ট।

চাষের উপযুক্ত জমিঃ মাঝারী উঁচু জমি এবং দোআঁশ মাটি বারি আম ১১ চাষের জন্য উপযোগী।
বংশবিস্তারঃ বীজের বা কলমের মাধ্যমে বংশবিস্তার করা যায়। বীজ থেকে চারা উৎপাদন করলে মাতৃগাছের মতো ফল পাওয়া যায় না। তাই কলমের মাধ্যমেই এই জাতের আমের চারা উৎপাদন ও বংশবিস্তার করা উত্তম। এক্ষেত্রে জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ় / ভাদ্র – আশ্বিন (মে-জুন/ আগস্ট-সেপ্টেম্বর) করাই উত্তম।
আম পাকার সময়ঃ মে মাস আমের মৌসুম হওয়ায় এ মাসে আমের ফলন বেশি হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ে আগস্ট মাসে, তৃতীয় পর্যায়ে নভেম্বর এবং চতুর্থ পর্যায়ে ফেব্রুয়ারি মাসে আম পাকবে।
ফলনঃ  বারি আম ১১ এর ফলন ২২,০০০ কেজি/হেক্টর বা ২২ টন/ হেক্টর। এছাড়াও  প্রতি শতকে ৮০-৯০ কেজি আমের ফলন হয়ে থাকে।
প্রাপ্তিস্থানঃ বারি আম -১১ বা বারমাসি  আমের  এই জাতটি এখন বাংলাদেশের সব উদ্যানতত্ব গবেষণা কেন্দ্রেই চাষ হচ্ছে। আমের এই জাতটি দেশের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য দেশের সকল

আমাদের কাছে আপনি যে গাছ গুলা পাবেন

আমাদের কাছে আপনি যে গাছ গুলি পাবেন । বিদেশি ফল গাছঃ


১. পার্সিমন = ১৫০০ টাকা ।ফলের রাজা । জাপানের জাতীয় ফল ।
২. ভিয়েতনামি লাল কাঁঠাল = ৪০০টাকা ।
৩. পিঙ্ক কাঁঠাল = ৪০০ টাকা ।
৪. বারমাসি কাঁঠাল = ৪০০ টাকা ।
৫. মিরাকেল বেরি = ১১০০ টাকা ।
৬. হাইব্রিড নারিকেল = ৭০০ টাকা ।৩ বছরে ফলন ।
৭. থাই লাল জাম্বুরা = ৬০০ টাকা । ওপরের চামরা ও ভিতরে ২ জাইগায় লাল হয় ।
৮. থাই লঙ্গান = ১২০০ টাকা । / কাঠ লিচুঃ৪০০৳
৯. বারমাসি সাদা জাম = ৭০০ টাকা ।
১০. বারমাসি লখাট ফল = ৮৫০ টাকা ।
১১. মাঙ্গস্টিং ফল গাছ = ৮৫০ টাকা ।
১২. করোসল ফল গাছ= ৬০০ টাকা । ক্যানছ্যার নিরুধক গাছ ।
১৩. এগফ্রট = ৬০০ টাকা । ডিমের মত ফল ।
১৪. নাসপাতি = ৬৫০ টাকা ।
১৫. আপেল গাছ = ১০০০ টাকা প্রতিটি জাত । হরিমন ৯৯,সামার , সবুজ , কাশ্মীরি , আন্না , গোল্ডেন
ডোরসেট , অস্টেলিয়ান সামার ।
১৬. জ্যামাইকান চেরি গাছ = ৮০০ টাকা ।
১৭. এভরিকট ফল গাছ = ১০০০ টাকা ।
১৮.বার্বাডোস চেরি গাছ = ৫৫০ টাকা ।
১৯. ফুলাচান গাছ = ৬০০ টাকা ।
২০. স্টবেরি পেয়ারা হলুদ গাছ = ৫৫০ টাকা ।
২১. স্টবেরি পেয়ারা লাল গাছ = ৫০০ টাকা ।
২২. আলুবোখরা ফল গাছ = ৫০০ টাকা ।
২৩.রাম্বুটান ফল গাছ = ১০০০ টাকা ।
২৪. ডুরিয়ান ফল গাছ = ১২০০ টাকা ।মালসিয়ার জাতীও ফল ।
২৫. এভোকেডো ফল গাছ = ১২০০ টাকা ।
২৬. থাই মিষ্টি তেতুল = ২৫০ টাকা ।
২৭. থাই হাইব্রিড পটল জাম = ৪০০ টাকা ।
২৮. ব্লাকবেরি ফল = ৬০০ টাকা ।
২৯. মালবেরি ফল = ৫০০ টাকা । ৬০০ টাকা
৩০. ভেরিগেট পেয়েরা = ৩০০ টাকা ।
৩১. থাই ছবেদা = ৩০০ ।
৩২. মিসরিয়ান ডুমুর =৬০০ টাকা ।
৩৩. সাদা আঙ্গুর = ২৫০ টাকা ।
৩৪. মিষ্টি লাল আঙ্গুর = ৪০০ টাকা ।
৩৫. মিষ্টি কালো আঙ্গুর = ২০০ টাকা ।
৩৬. থাই মিষ্টি করমচা = ৩০০ টাকা ।
৩৭. জয়তুন গাছ = ১০০০ টাকা ।
৩৮. বারাব্বা ফল গাছ = ৬৫০ টাকা ।
৩৯. ভেরিগেড মাল্টা = ৩০০ টাকা ।
৪০. বারমাসি লাল জামরুল = ৩০০ টাকা ।
৪১. পাকিস্তানি আনার গাছ = ৩০০ টাকা ।
৪২. লাল কলা গাছ = ৫০০ টাকা । টিস্যু কালচার গাছ ।
৪৩. থাই জাম্বুরা গাছ = ৪০০ টাকা । বড় ও মিষ্টি সাইজের জাম্বুরা ।
৪৪. কাজুবাদাম গাছ = ৪০০ টাকা ।
৪৫. সুদানি আতাফল = ৪৫০ টাকা । ১ কেজির বেশি বড় হয় এই আতা ফল ।
৪৬. গোলাপজাম = ৩০০ টাকা । রাজকীয় ফল গাছ ।
৪৭. পিচ ফল গাছ = ৬০০ টাকা ।
৪৮. সৌদি খেজুর = ৫০০ টাকা ।

দেশি ফল গাছঃ

১. আম = ২০০ টাকা । ৪০ রকম দেশি জাতের ।
২. লিচু = ৩০০ টাকা ।। ৩ জাতের লিচু(বেদেনা,চায়না৩(৪০০ টাকা),মাদরাজি)
৩. কলা = ১৫০ টাকা ।সব জাতের কলা ।
৪. হাইব্রিড সুপারি = ৫০ টাকা ।
৫. জলপাই = ২০০ টাকা ।
৬. দেশি সফেদা = ২০০ টাকা ।
৭. করমচা = ৩০০ টাকা ।
৮. লটকন = ২৫০ টাকা ।
৯. দেশি মিষ্টি জাম্বুরা = ২৫০ টাকা ।
১০.টক তেতুল = ২০০ টাকা ।
১১. ড্রাগন = ৮০ টাকা । পিংক ১৫০ টাকা
১২.হাইব্রিড কতবেল = ৩০০ টাকা ।
১৩. কুল = ১০০ টাকা ।কয়টি জাত ।
১৪.থাই পেয়েরা = ১২০ টাকা ।কয়েটা জাত ।
১৫. লেবু = ১০০ টাকা ।কয়েটা জাত ।
১৬. কামরাঙ্গা = ২০০ টাকা ।
১৭. বারমাসি আমড়া = ২০০ টাকা ।
১৮. বেদেনা = ২৫০ টাকা ।
১৯. ডালিম = ২৫০ টাকা ।
২০. বিলাতি গাব = ২৫০ টাকা ।
২১. আতা = ২৫০ টাকা ।
২২.বেল = ২৫০ টাকা ।
২৩. কাঁঠাল = ২৫০ টাকা ।
২৪. দার্জিলিং কমলা = ৪০০ টাকা ।
২৫. চাইনা কমলা = ৩০০ টাকা ।
২৬. নাগপুরি কমলা = ৩০০ টাকা ।
২৭.মাল্টা বারি ১ = ২৫০ টাকা।
২৮. বিলম্বি = ৩০০ টাকা ।
২৯.সাতকড়া = ৩৫০ টাকা ।
৩০.জারালেবু = ৪০০ টাকা ।৪ কেজি ওজন ।
৩১. সুইট লেমন = ৩০০ টাকা। মিষ্টি লেবু ।
৩২.লাল আমলকি = ৩০০ টাকা।

বিদেশি আম গাছঃ

১. চিয়াংমাই আম গাছ = ৫০০ টাকা ।
২. আলফেনসো আম গাছ = ৫৫০ টাকা ।
৩. বুনাই কিং = ৬০০ টাকা । ৫ কেজি হয় এই আম ।
৪. জাপানের মিয়াজাকি আম = ৫০০ টাকা ।
৫. আমেরিকান পালমার আম = ৩০০ টাকা ।
৬. কিউজাই আম গাছ = ৪০০ টাকা ।
৭. বানানা মাঙ্গ গাছ = ৩০০ টাকা ।
৮. বারি ৪ = ৩৫০ টাকা ।
৯. গৌরমতি = ৪০০ টাকা ।
বারমাসি আম গাছঃ
১. কাটিমন আম গাছ = ৩০০ টাকা ।
২. বারি ১১ গাছ = ৩৫০ টাকা ।
৩. চাইনা ড্রপ = ৩০০ টাকা ।

মসলা গাছঃ

১. এলাচ = ৩০০ টাকা ।
২. জয়ফল = ৬০০ টাকা ।
৩. গোলমরিচ = ৪০০ টাকা ।
৪. লবঙ্গ = ৪৫০ টাকা ।
৫. তেসপাতা = ২৫০ টাকা ।
৬. দারুচিনি = ২৫০ টাকা ।
৭. অলস্পাইস = ৪০০ টাকা ।

ফলসহ গাছ ও ফুলসহ গাছঃ
১. ফলসহ বা মুকুলসহ আম গাছ = যে জাতের গাছ সে দামের সাথে ১০০ টাকা যোগ হবে ।
২. মাল্টা ফল সহ =৩০০ টাকা ।
৩. কমলা ফল সহ = ৩৫০ টাকা ।
৪. বারো মাসি আম মুকুলসহ =৪০০ টাকা ।
৫. সাদাজাম ফুলসহ= ৯০০ টাকা ।
৬. ফলসহ লাল ও বারমাসি কাঁঠাল = ৮০০ টাকা ।
৭. জ্যামাইকান চেরি ফুল সহ = ১০০০ টাকা ।

বারমাসি গাছের লিস্টঃ

১. বারমাসি আম কাটিমন = ৩০০ টাকা ।
২. বারমাসি কাঁঠাল = ৪০০ টাকা ।
৩. বারমাসি সাদাজাম = ৮০০ টাকা ।
৪. বারমাসি মাল্টা = ২৫০ টাকা ।
৫. বারমাসি কমলা = ৩০০ টাকা ।
৬. বারমাসি লখাট ফল = ৮৫০ টাকা ।
৭. বারমাসি ছবেদা = ৩০০ টাকা ।
৮. বারমাসি আমড়া = ২৫০ টাকা ।
৯. বারমাসি পেয়েরা = ১৫০ টাকা ।
১০. বারমাসি লেবু = ১৫০ টাকা ।
১১. বারমাসি থাই জাম্বুরা = ৪৫০ টাকা ।
১২. বারমাসি লাল জামরুল = ২৫০ টাকা ।
১৩. বারমাসি পাকিস্তানি আনার = ৩০০ টাকা ।

🔴তরুলতা এগ্রো থেকে কেন গাছ নিবেনঃ

 🔴তরুলতা এগ্রো থেকে কেন গাছ নিবেনঃ

১. ঢাকার মধ্যে একদিনেই ডেলিভারি।
২. ৫০% ক্যাশ অন ডেলেভারি ।
৩. ফ্রী রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা ।
৪. সারা বাংলাদেশর সকল জেলা সদরে ডেলিভারি সুবিধা।
এছাড়াও বগুড়া শহরে থাকছে হোম ডেলিভারি সার্ভিস।


🔴কুরিয়ার কিছু নিয়মঃ


🚦একটি দুটি গাছ কুরিয়ার করা হয় না , যে কোন গাছ মিনিমাম তিনটি !! 🌾🌾
🚦কুরিয়ার চাজটি ক্রেতাকে বহন করতে হবে !! 🌾🌾
🚦তিন থেকে পাঁচটি গাছ কুরিয়ার চার্জ ঢাকার ভেতর শুধুমাত্র 100 টাকা!!🌾🌾 ঢাকার বাইরে 150 টাকা!!
🚦৫০% কন্ডিশনে পাঠানো হলে কন্ডিশন চার্জ ক্রেতার বহন করতে হবে।


✋💟অডার করার নিয়ম , তথ্য গুলা ইনবক্সে দিন!!

1. আপনার নাম ?
2. আপনার ফোন নাম্বার?
3. আপনার ঠিকানা ? শুধু জেলার নাম ?
4. কি গাছ নিবেন সেগুলার নাম ?

অডারটি কনফার্ম হলে আপনার ফোন নাম্বারে একটি মেসেজ দেয়া হবে।

🙌ফোনঃ০১৭৩৫-৪৭৭৫০৭।(ফোনে না পেলে আমাদের পেজে অথবা মোবাইল নাম্বার এ একটি মেসেজ দিয়ে রাখুন)